মেনু নির্বাচন করুন

বান্দুরা ইউনিয়নের ইতিহাস

বাংলাদেশ রাজনাধী ঢাকা জেলারৈঐতিহ্যেবাহী উপজেলা নবাবগঞ্জের ১৪টি ইউনিয়নের  মধ্যে বান্দুরা ইউনিয়ন এক বিশাল ঐতিহ্যের ধারক ওবাহক। অত্র ইউনিয়নের নাম ওযশ পাক ভারত উপমহাদেশের ভৌগলিক সমিানা পেরিয়ে ইতিহাসে স্হান করে নিয়েছে।উল্রেখিত ইউনিয়নটির বুক চিড়ে বয়ে গেছে ২টি প্রাচীন নদ। এই নদীর একটি ইলশেমারী, অন্যটি ইছামতি।ঐতিহ্যবাহী ইলশেমারী নদী ইউনিয়নের ৪টিগ্রামকে দুইভাগে বিভক্ত করে প্রবাহমান।পূর্ব পাড়ে হাসনাবাদ,পশ্চিম পাড়ে নয়ানগর,নতুন বান্দুরাওনূরনগরপূর্ব পাড়ের হাসনাবাদ গ্রামধারন করে আছে বিশাল ঐতিহ্যও ইতিহাস ।এখানে ১৭৭৪খ্রীষ্টাব্দেগড়ে উঠেছে খ্রীস্টান ধর্মপল্লীএবং এই ধির্ম পল্লীর প্রার্থনার স্হান হাসনাবাদ পবিত্র জপমালা রানীর র্গীজা।এলাকাটি খ্রিস্টান প্রধানহলেও এখানে হিন্দু,মুসলিমসম্প্রদায় যেনভাতৃত্ব বন্ধনে আবদ্ধ হয়েআছ।নতুন বান্দুরা তার বুকে ধারন করে আছে কালের আরএক সাক্ষী-ঐতিহ্যবাহ শাহী মসজিদ (ভাঙ্গা মসজিদ)নামে পরিচিত

জনশ্রতিতে আছে মোঘল সম্রাট সায়েস্তা খাঁ এর আমলে এই মসজিদটি এক রাতে নির্মিত হয়েছ।তাই একেগাইবী মসজিদ বলে।এক কথায় সার্বিক দিক থেকে ইউনিয়নটি উপজেলার শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার